আজারবাইজান গ্র্যাঁ প্রির পর আন্তোনেল্লি স্বীকার করেছেন, সতীর্থ রাসেলের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান যতটা সম্ভব কম রাখার চেষ্টায় তিনি গাড়ি চালিয়েছেন তার ইতালীয় দাদির মতো।

'আজ আমি একটু আমার দাদির মতো চালিয়েছি, মানে গাড়ি বাঁচানোর মোডে।' ব্যাখ্যা করেন আন্তোনেল্লি, 'বুঝতেই পারছেন, আমি ঝুঁকি নিইনি, কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে নিশ্চিত হয়ে নিয়েছি যে চেষ্টা করা সম্ভব।'
রিস্টার্টের সময় কোলাপিন্তোর কারণে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা আন্তোনেল্লি এড়াতে পারলেও হাস চালক বেয়ারম্যানের সঙ্গে ঘষা লাগে, যাতে তার গাড়ির বাঁ দিকের ফ্লোরের কিনারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
'রিস্টার্টের পর আমার ফ্লোর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।' বলেন আন্তোনেল্লি, 'সংঘর্ষের পর আমার পুরো বাঁ দিকটাই আর ছিল না, তাই এরপর থেকে গাড়ি চালানো খুবই অস্থির হয়ে পড়ে।'
অনুশীলনে হাইড্রোলিক লিক আর কোয়ালিফাইংয়ে দুর্ঘটনায় এলোমেলো হয়ে যাওয়া একটি সপ্তাহান্ত শেষে আন্তোনেল্লি নিজের পারফরম্যান্সে হতাশ। গতি ও ছন্দের অভাবই তাকে রেসে আরও সতর্ক কৌশল নিতে বাধ্য করে।
'মনজা বা আগের কয়েকটি রেসের মতো গতি থাকলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতো। আজ আমি দ্রুতই বুঝে যাই, প্রথমত, যখন সারিবদ্ধ সব গাড়িই ওভারটেকিং মোডে থাকে, তখন ওভারটেক করা অনেক কঠিন। দ্বিতীয়ত, আগের মতো গতি আমার আর ছিল না।' বলেন আন্তোনেল্লি।
'মানসিকতা দ্রুতই বদলে যায়, আর এত মানুষকে ভুল করতে দেখে আপনিও নিজেকে একটু সংযত রাখেন। কারণ আজ আমি শুধু অন্যদের ভুলের সুযোগ নিয়ে ক্রমাগত সামনে এগিয়েছি।'